খেলার মাঠে সবার আগে
Nsports-logo

শনিবার, ১১ই এপ্রিল ২০২৬

প্রথম ফাইনালিস্ট সেই মালিকবিহীন কমিটির দল

বিপিএল

আসর শুরুর ঠিক ২৪ ঘন্টা আগেই মালিকহারা হয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিতে বাধ্য হয়েছিল বিসিবি। সেই থেকে মজার ছলে ‘কমিটির দল’ নামের তকমা লেগে যাওয়া অনিশ্চিত দলটি আজ সব ফ্রেঞ্চাইজিকে টপকে প্রথম ফাইনালিস্ট হিসেবে নিজেদের নিয়ে গেল অন্য এক উচ্চতায়।  

দিনের প্রথম ম্যাচের মতো আরেকটি রুদ্ধশ্বাস সমাপ্তির আশায় হয়তো কয়েক হাজার দর্শক গ্যালারিতে রয়ে গেলেন ম্যাচের শেষ পর্যন্ত।
তবে এবার আর শেষ বলের অপেক্ষা নয়।
বরং তিন বল বাকি থাকতেই অধিনায়ক শেখ মেহেদি হাসানের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ফাইনালে উঠে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২০ জানুয়ারি, মঙ্গলবার প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারায় চট্টগ্রাম।
শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১৩৩ রান করে রাজশাহী। জবাবে ৩ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই শিরোপা জয়ের শেষ ধাপে পৌঁছে গেল কমিটির দল চট্টগ্রাম।

রান তাড়া করতে নেমে মন্থর গতিতে ব্যাট করতে থামেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। তবে বড় জুটিই উপহার দেয় তারা।
উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৪ রান। ৩৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন মোহাম্মদ নাঈম শেখ।
আর পরের উইকেটে নেমে ১৪ বলে ২০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন হাসান নাওয়াজ। ৮ বলে ১১ রান আসে আসিফ আলির ব্যাট থেকে।

এদিকে ১৯তম ওভার পর্যন্ত খেলে যান ওপেনার মির্জা বেগ।

৪৭ বলে ৪৫ রান করেন তিনি। এরপর আমির জামালকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন দলনেতা শেখ মেহেদী হাসান।
মাত্র ৯ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদী। আর ২ বলে ২ রানে অপরাজিত থাকেন জামাল।

এর আগে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান।
দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকেন রাজশাহীর দুই ওপেনার। তবে জুটিটা বড় হয়নি। ৩০ রানে থামে উদ্বোধনী জুটি।
১৯ বলে ২১ রান করে আউট হন সাহিবজাদা ফারহান। আর ৩৭ বলে ৪১ রান আসে তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাট থেকে।

প্রথম ফাইনালিস্ট সেই মালিকবিহীন কমিটির দল

পরের পাঁচজন ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।
দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্ত ৮, মুশফিকুর রহিম ০, আকবর আলি ৩, জিমি নিশাম ৬ ও রায়ান বার্ল ৩ রান করে আউট হন।

এরপর ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তোলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে করেন ৩৫ রান।
তাতেই মিরপুরের মতো মন্থর গতির পিচে মোটামুটি একটি সংগ্রহ পায় রাজশাহী।

এদিকে রিপন মণ্ডল ১০ ও বিনুরা ৩ রান করেন। আর ১ রানে অপরাজিত থাকেন হাসান মুরাদ।

চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন পাঁচজন বোলার।

এই জয়ে সরাসরি ফাইনালে চট্টগ্রাম। আর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বুধবার সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে রাজশাহী।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy